You have all come across to the choice where you have to log in with your Facebook or Google account to get access to a new website, apps, online games or other service where some offer the sign in option using the Twitter, LinkedIn or Microsoft accounts. Since every app you download on your phone requires you to create an account, so we try the easy method of sign in using our social accounts.
Virus are primarily believed to be codes that are designed to harm and spread worldwide. They are created by hackers to attack computers and steal your personal data to make money. There are different viruses that affects Windows, Linux, Mac computers, whereas some can go far enough to impact on the data services that keeps the internet running and the companies that are using them.
Every computer or laptop has faced the problem of getting infected with a virus or malware. There are various ways through which you will be able to detect a computer viruses, like slower than usual operating system, strange pop-up messages, some computer programs will unexpectedly start running by itself without your knowledge, and other such eccentric problems.
কম্পিউটার সিকিউরিটির সম্ভাব্য কিছু ঝুঁকি বা বিপদ আছে যা আপনার পিসির স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য বিপত্তির কারণ হতে পারে। তা হয়তো হতে পারে ছোট্ট কোনো অ্যাডওয়্যার বা একটি ক্ষতিকারক ট্রোজান ম্যালওয়্যার। বর্তমান সময়ে প্রায় সবকিছুই ডিজিটাল হতে চলেছে সেই হিসাবে কম্পিউটারের নিরাপত্তা হুমকিও ক্রমাগত বাড়ছে।
হ্যাকিং বলতে বোঝায় তথ্য বা ফাইল চুরি বা পরিবর্তন করার জন্য একটি নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা বা কম্পিউটারে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার। এই প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিকে হ্যাকার বলা হয়। কম্পিউটার হ্যাকিং রুটকিট, ট্রোজান, কীলগার ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম ব্যবহার করে করা হয়। হ্যাকাররা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত বা আর্থিক ডীটেইলগুলি ধরতে ব্রাউজার হাইজ্যাক, স্পুফিং, ফিশিং ইত্যাদি কৌশলগুলিও কাজে লাগায়।
কম্পিউটার ভাইরাসকে কোডের এমন একটি অংশ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যা পিসিটির স্বাভাবিক কার্যকারিতা ব্যাহত করে। এটি নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে এবং দ্রুত অন্যান্য নেটওয়ার্কগুলির হোস্টগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে, এভাবে পুরো নেটওয়ার্কটিকে অকার্যকর করে দেয়। সুতরাং কত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি অপসারণ করা যায় তা জানা আপনার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কারণ একটি ম্যালওয়্যার সংক্রমণ আপনার ডেটার গুরুতর ক্ষতি করতে পারে।
যেসব যন্ত্র নেটওয়ার্ক দ্বারা একসাথে যুক্ত থাকে যেমন কম্পিউটার অথবা মোবাইল ; এসব যন্ত্র ব্যবহার করে যখন কোন অপরাধ করা হয় তাকে সাইবার ক্রাইম বলে।যারা এধরণের অপরাধের সাথে যুক্ত থাকে তাদের সাইবার অপরাধী বলে।ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল যূগের সাথে সাথে ইন্টারনেটে অপরাধের সংখ্যা আরো দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেহেতু এ ধরণের অপরাধ যেকোন দূরবর্তী অবস্থান থেকে করা যেতে পারে উদহারণস্বরূপ যেকোন দেশ ,তাই বেশিরভাগ অপরাধী সাইবার ক্রাইমকে বেছে নিচ্ছে।
ফিশিং এর সংজ্ঞা
এটিকে অনলাইন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ব্যবহারকারীর নাম, পাসওয়ার্ড এবং আর্থিক বিবরণীর মতো সংবেদনশীল ডাটা চুরি করা/প্রতারণার প্রচেষ্টা হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। আক্রমণকারীরা ফিশিং ইমেইলের মাধ্যমে ভিক্টিমকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে। অযাচিত ইমেলগুলিতে ক্লিক করে আপনি একটি ভুয়া ওয়েব পেইজে আসবেন যেটা দেখলে আপনার আসলই মনে হবে। এই ওয়েবসাইটগুলি ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করার জন্য জাল কিন্তু আকর্ষণীয় প্রস্তাবগুলি দেখায় এবং তাদের আর্থিক ও ব্যক্তিগত তথ্য জমা দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করে, যা পরবর্তীতে আক্রমণকারীর দ্বারা অপব্যবহৃত হয়।
ফিশিং এর বিভিন্ন ধরনগুলি কি কি?